Index of Thoughts & Articles

All Writings

An archive of long-form articles, technical guides, historical analyses, and working notes published over time.

জিনতত্ত্বের ইতিহাস (পর্ব ১০): রাসায়নিক লিপির পাঠোদ্ধার — ফ্রেডেরিক স্যাঙ্গার, ডাইডেক্সিনিউক্লিওটাইড ও প্রথম জীবন্ত জিনোম

১৯৭৭ সালে ব্রিটিশ রসায়নবিদ ফ্রেডেরিক স্যাঙ্গার ডাইডেক্সিনিউক্লিওটাইড চেইন-টার্মিনেশন পদ্ধতির মাধ্যমে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং উদ্ভাবন করেন। ব্যাকটেরিওফায ফাই-এক্স-১৭৪-এর সম্পূর্ণ ৫,৩৮৬টি ক্ষারের ক্রম উন্মোচনের মাধ্যমে...

জিনতত্ত্বের ইতিহাস (পর্ব ০৯): গতিশীল জিন — বারবারা ম্যাকক্লিন্টক, ট্রান্সপোজন ও ভুট্টার রঙিন মোজাইক

কোল্ড স্প্রিং হারবারের ভুট্টা ক্ষেতে নিঃসঙ্গ গবেষণার মাধ্যমে বারবারা ম্যাকক্লিন্টক জিনোমের অনড় ও অপরিবর্তনীয় ধারণাকে গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন। ভুট্টার দানার রঙিন মোজাইক বিশ্লেষণ...

জিনতত্ত্বের ইতিহাস (পর্ব ০৮): অপারনের যুক্তি — ফ্রাঁসোয়া জ্যাকব, জ্যাক মনোদ ও অ্যালস্টেরিক জিন নিয়ন্ত্রণ

প্যারিসের পাস্তুর ইনস্টিটিউটে ফ্রাঁসোয়া জ্যাকব ও জ্যাক মনোদ ই. কোলাই ব্যাকটেরিয়ার ল্যাক অপারন আবিষ্কার করেন। প্রমাণিত হয় যে জিনোম কোনো অবিরাম সচল...

জিনতত্ত্বের ইতিহাস (পর্ব ০৭): ত্রয়ী সংকেতের পাঠোদ্ধার — মার্শাল নিরেনবার্গ, হর গোবিন্দ খোরানা ও পলি-ইউ পরীক্ষা

১৯৬১ সালের আগস্টে মস্কোর আন্তর্জাতিক বায়োকেমিস্ট্রি কংগ্রেসে মাত্র চৌত্রিশ বছর বয়সী মার্শাল নিরেনবার্গ কৃত্রিম পলি-ইউ দ্বারা পলিফেনাইলঅ্যালানিন তৈরির ঘোষণা দিয়ে বিজ্ঞান বিশ্বকে...

জিনতত্ত্বের ইতিহাস (পর্ব ০৬): সেন্ট্রাল ডগমা — ফ্রান্সিস ক্রিক, অ্যাডাপ্টার অণু ও তথ্যের একমুখী প্রবাহ

ডাবল হেলিক্স আবিষ্কারের পর ফ্রান্সিস ক্রিক আধুনিক আণবিক জীববিজ্ঞানের সর্বোচ্চ তাত্ত্বিক রূপরেখা প্রণয়ন করেন: সেন্ট্রাল ডগমা এবং সিকোয়েন্স হাইপোথিসিস। তাঁর দূরদর্শী 'অ্যাডাপ্টার...

জিনতত্ত্বের ইতিহাস (পর্ব ০৫): বংশগতির জ্যামিতি — রোজালিন্ড ফ্র্যাঙ্কলিন, মরিস উইলকিন্স, ওয়াটসন, ক্রিক ও ডাবল হেলিক্স

১৯৫৩ সালের বসন্তে কেমব্রিজের ক্যাভেন্ডিশ ল্যাবরেটরি ও কিংস কলেজে ডিএনএ-র ত্রিমাত্রিক গঠন আবিষ্কারের রোমাঞ্চকর লড়াই এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে পৌঁছায়। রোজালিন্ড ফ্র্যাঙ্কলিনের এক্স-রে...

জিনতত্ত্বের ইতিহাস (পর্ব ০৪): ব্লেন্ডার পরীক্ষা — অ্যালফ্রেড হার্শি, মার্থা চেজ ও ব্যাকটেরিওফাযের ফসফরাস নিউক্লিয়াস

১৯৫২ সালের গ্রীষ্মে কোল্ড স্প্রিং হারবার ল্যাবরেটরিতে অ্যালফ্রেড হার্শি ও মার্থা চেজ একটি সাধারণ রান্নাঘরের ব্লেন্ডার এবং তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ (ফসফরাস-৩২ ও সালফার-৩৫)...

জিনতত্ত্বের ইতিহাস (পর্ব ০৩): রূপান্তরক উপাদান — ফ্রেডেরিক গ্রিফিথ, অসওয়াল্ড অ্যাভেরি ও নিউমোকক্কাসের রহস্য

১৯২৮ সালে ব্রিটিশ চিকিৎসক ফ্রেডেরিক গ্রিফিথ আবিষ্কার করেন যে তাপে মৃত ক্ষতিকারক নিউমোনিয়া ব্যাকটেরিয়া নির্দোষ জীবিত ব্যাকটেরিয়াকে মরণঘাতী ব্যাকটেরিয়ায় রূপান্তর করতে পারে।...

জিনতত্ত্বের ইতিহাস (পর্ব ০২): মাছি শিকারীদের গবেষণাগার — টমাস হান্ট মরগান, ড্রোসোফিলা ও ক্রোমোজোমীয় লিংকেজ

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত 'ফ্লাই রুম'-এ বসে টমাস হান্ট মরগান ও তাঁর প্রতিভাবান তরুণ গবেষকদল সাধারণ ড্রসোফিলা মাছির মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন যে মেন্ডেলের...

জিনতত্ত্বের ইতিহাস (পর্ব ০১): মঠের বাগানের সন্ন্যাসী — গ্রেগর মেন্ডেল, কণিকাগত বংশগতি ও পৃথকীকরণ সূত্র

ব্রনোর সেন্ট থমাস মঠের নির্জন বাগানে বসে গ্রেগর মেন্ডেল ২৮,০০০ মটরশুঁটি গাছের ওপর গবেষণা চালিয়ে বংশগতির অমীমাংসিত রহস্য উন্মোচন করেছিলেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর...