অপরিণত ( ext{CD4}^+) হেল্পার টি-কোষগুলো পরিবেশের সংকেতের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন বিশেষায়িত যোদ্ধা কোষে রূপান্তরিত হয়। সংক্রামক জীবাণুর প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে সহজাত প্রতিরোধ ব্যবস্থার পাঠানো সাইটোকাইন সংকেত নির্দিষ্ট মাস্টার ট্রান্সক্রিপশন ফ্যাক্টর সক্রিয় করে টি-সেলের জিনোমকে সুনির্দিষ্ট প্রতিরক্ষামূলক ছাঁচে সাজিয়ে তোলে।

১. প্রধান চারটি টি-হেল্পার উপশাখা

শাখা উদ্দীপক সাইটোকাইন মাস্টার ফ্যাক্টর উৎপাদিত সাইটোকাইন প্রধান লক্ষ্যবস্তু
Th1 IL-12, IFN-(gamma) T-bet IFN-(gamma), TNF-(alpha) অন্তঃকোষীয় ব্যাকটেরিয়া (টিবি), ভাইরাস
Th2 IL-4 GATA3 IL-4, IL-5, IL-13 কৃমি, পরজীবী, অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া
Th17 IL-6, TGF-(beta) ROR(gamma)t IL-17, IL-22 বহিঃকোষীয় ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক
Treg TGF-(beta), IL-2 Foxp3 IL-10, TGF-(beta) অটোইমিউনিটি দমন ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ

২. সংকেত পথ ও রূপান্তরের মেকানিজম

Th1 পথ ও ম্যাক্রোফেজ উদ্দীপনা

কোষের ভেতরের জীবাণু দমনে ডেনড্রাইটিক সেল IL-12 ক্ষরণ করে। এটি STAT4 এবং T-bet প্রোটিন সক্রিয় করে। Th1 কোষ থেকে উৎপন্ন ইন্টারফেরন গামা (IFN-(gamma)) টিস্যু ম্যাক্রোফেজকে তীব্রভাবে সক্রিয় করে তাদের ভেতরে বিষাক্ত নাইট্রিক অক্সাইড (NO) তৈরি করায়, যা ফ্যাগোসাইটোসিসের ভেতরে থাকা যক্ষ্মা বা অন্য জীবাণুকে ধ্বংস করে।

Th2 পথ ও পরজীবী নিধন

কৃমির সংক্রমণে বেসোফিল থেকে IL-4 ক্ষরিত হলে STAT6 এবং GATA3 সক্রিয় হয়। এর ফলে তৈরি হওয়া IL-4 বি-সেলকে ( ext{IgE}) অ্যান্টিবডি তৈরিতে নির্দেশ দেয়, IL-5 ইয়োসিনোফিল রক্তকণিকাকে আকর্ষণ করে কৃমির গায়ে বিষাক্ত প্রোটিন ঢালতে সাহায্য করে এবং IL-13 অন্ত্রের মিউকাস ক্ষরণ বাড়িয়ে পরজীবীকে শরীর থেকে বের করে দেয়।

Th17 পথ ও নিউট্রোফিল সমাবেশ

TGF-(beta) এবং প্রদাহজনক IL-6 একত্রে মিলে ROR(gamma)t সক্রিয় করে। Th17 কোষ থেকে নিঃসৃত IL-17 মিউকোসাল এপিথেলিয়াম থেকে কেমোকাইন ক্ষরণ বাড়িয়ে বিপুল পরিমাণ নিউট্রোফিল শ্বেত রক্তকণিকাকে সংক্রমণের স্থানে টেনে আনে।

টি-রেগুলেটরি কোষ (Tregs) ও Foxp3 দমন ক্ষমতা

দেহের নিজস্ব সুস্থ কোষের ওপর অতিরিক্ত আক্রমণ বন্ধ করতে Foxp3 চালিত Treg কোষ অপরিহার্য। এরা দমনমূলক সাইটোকাইন (IL-10) ক্ষরণ করে, কোষের চারপাশের পুষ্টি ও IL-2 শোষণ করে নেয় এবং CTLA-4 প্রোটিনের মাধ্যমে ডেনড্রাইটিক কোষের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে অনাক্রম্য শান্তি ফিরিয়ে আনে।